যৌথ মহড়ায় অংশ নিতে পাকিস্তানে এলো রাশিয়ান সেনাদল

দুই সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ মহড়ায় অংশ নিতে রাশিয়ান ফেডারশন স্পেশাল ফোর্সের একটি কনটিনজেন্ট পাকিস্তান পৌছেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রুশ সেনাদল ইসলামাবাদে পৌছেছে বলে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

বলা হয়, দ্রুজবা-৫ নামের এই মহড়ার লক্ষ্য হচ্ছে সন্ত্রাস-দমনের ক্ষেত্রে দুই সেনাবাহিনীর অভিজ্ঞতা বিনিময়।

এতে আরো বলা হয় যে, মহড়ায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে স্কাই ডাইভিং ও জিম্মি উদ্ধার অপারেশনের উপর।

২০১৬ সাল থেকে প্রতি বছর পাকিস্তান ও রাশিয়ার মধ্যে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

এবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে দ্রুজবা সিরিজের পঞ্চম মহড়া। এই মহড়ায় স’ন্ত্রা’স দমন ও স্পেশাল অপারেশনের উপর গুরুত্ব দেয়া হয়।

গত সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর একটি দল রাশিয়ার আস্ত্রাখানে ‘কাভকাজ ২০২০’ শীর্ষক বহুজাতিক সামরিক মহড়ার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেয়।

সূত্র: সিনহুয়া

এই ৫টি ফল কেন আপনি গর্ভাবস্থায় এড়িয়ে চলবেন?

গর্ভাবস্থা এমন একটি সময় যখন আপনার সবকিছু সম্পর্কে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক। কারণ আপনি যে পছন্দগুলি বেছে নিয়েছেন তা কেবল আপনারই নয় তা আপনার সন্তানকেও শীঘ্রই জন্ম দিতে সাহায্য করবে,

তাই সঠিক পছন্দ করে তোলা প্রয়োজনীয়, শিশুর স্বাস্থ্যের ঝুঁকি হিসাবে। এই ফলগুলি প্রত্যেকের গর্ভাবস্থায় ক্ষতিকারক বলে বিশ্বাস করা হয় এবং ডাক্তাররাও এগুলিকে এড়িয়ে যেতে বলেন জানুন কেন:

১. পেঁপে
পেঁপে, বিশেষ করে কাঁচা পেঁপে ল্যাটেক্সে সমৃদ্ধ, যা গর্ভাশয়ে সংকোচনের কারণবলে পরিচিত। গর্ভাবস্থার তৃতীয় এবং চূড়ান্ত ত্রৈমাসিকের সময় পিপেইন এনজাইম ধারণকারী সবুজ পেঁপে সালাদ, এবং একই পদার্থে সম্পূরক খাবারগুলি এড়ানো উচিত। এই কারণে, গর্ভাবস্থায় এড়ানো খাবারের তালিকাতে পেঁপে থাকে। এটি গর্ভপাতের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তবে গর্ভাবস্থায় পাকা পেঁপে চমৎকার। পাকা পেঁপেতে প্যাপাইনের খুব কম মাত্রা থাকে এবং সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের জন্য তার সমৃদ্ধ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিনের উপাদান অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সুবিধার সাথে অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়।

২. আঙ্গুর
গর্ভাবস্থায় আঙ্গুরের গ্রহণ বিতর্কের সাথে জড়িত। কিছু কিছু চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ গর্ভাবস্থায় আঙ্গুর এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন, অন্যেরা আপনাকে ফল খেতে উপদেশ দেন। আঙ্গুর গাছপালার উপর স্প্রে করা কীটনাশক উচ্চ পরিমাণের বিষের কারণ।

এছাড়াও, এটি সহজে হজম হয় না এবং কোষ্ঠকাঠিন্যর কারণ হতে পারে। আঙ্গুর কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ, যা আপনার শরীর দ্বারা গ্লুকোজ রূপান্তরিত হয় এবং রক্তে ​​শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে। এটি আপনার এবং আপনার শিশুকে ডায়াবেটিস ঝুঁকি দিতে পারে। যাইহোক, আপনি অল্প পরিমানে আঙ্গুর তাও খেতে পারেন।

৩. কলা
কলা সবচেয়ে সহজ ফলের মধ্যে পড়ে এবং সেই কারণেই এটি সবারই এর প্রিয়। এতে পটাসিয়াম রয়েছে, যা আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যাবশ্যক। তবে, আঙ্গুরের মতো, কলাও কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ, যার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়। গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মহিলাদের কলা খাওয়া এড়ানো উচিত। এছাড়াও, আপনার যদি গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস থাকে, তবে আপনার বাচ্চার জন্মের পর পর্যন্ত কলা এড়ানো সর্বোত্তম।

৪. আনারস
যদিও এটি প্রোটিন, খনিজ ও ভিটামিনের একটি বড় উৎস, আনারস গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে এড়ানো উচিত। আনারস উপস্থিত ব্রোমেলেন নামে একটি এনজাইম, জরায়ুমুখের দুর্বলতা সৃষ্টি করে, যার ফলে পৃ ম্যাচিওর ডেলিভারি বা গর্ভপাত ঘটে। আনারসে একটি সমৃদ্ধ চিনি ঘনত্ব আছে, যা গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের সাথে নারীদের ক্ষতি করতে পারে। এটি গর্ভাশয়ের সংকোচন আরম্ভ করতে পারে, যা ক্রমবর্ধমান গর্ভাবস্থার জন্য ভাল নয়।

৫. খেজুর
খেজুরগুলি প্রাকৃতিক চিনির ক্ষেত্রে অত্যন্ত উচ্চ। গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের সাথে নারীদের জন্য, কোষগুলি গ্লুকোজকে শোষণ করতে আরও কঠিন হয়, যা উচ্চ রক্ত ​​শর্করার মাত্রা পরিমাপ করে। আপনার গর্ভাবস্থার কোন জটিল সমস্যা প্রতিরোধ না হওয়া পর্যন্ত এই মিষ্টি এড়িয়ে চলা উচিত। আপনি কাঁচা এবং অকারণ ফল এবং সবজি এড়িয়ে চলা উচিত। ক্যানড এবং শুকনো ফলেরও এড়ানো উচিত, কারণ এতে চিনি এবং সংরক্ষণাগার রয়েছে।

বাড়ন্ত বাচ্চাদের জন্য জরুরি ৬ খাবার

একটি পুষ্টিগুণে ভরপুর খাদ্যতালিকা বাড়ন্ত শিশুর জন্য খুব জরুরি। বাড়ন্ত বয়সে শরীরে কিছু প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলের প্রয়োজন হয়।

তবে ব্যস্ত জীবনযাপনের জন্য বাবা-মা হয়তো শিশুকে স্বাস্থ্যকর খাবারগুলো খাওয়াতে পারেন না। এতে শিশু ঝুঁকে পড়ে ফাস্টফুডের দিকে। আর ফাস্টফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার শিশুর শরীরে বাজে প্রভাব ফেলে। এর থেকে বাজে চর্বি, চিনির মতো কিছু উপাদান ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায় না। এতে শিশুর ওজন বেড়ে যায়। এটি পরে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এসব খাবার এড়িয়ে শিশুকে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ানো খুব দরকার।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপটেন হোম রেমিডি জানিয়েছে শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় কিছু খাবারের নাম।

১. দুধ
দুধ শিশুদের জন্য খুবই উপকারী একটি খাবার। ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস দুধের দুটি জরুরি মিনারেল। এগুলো স্বাস্থ্যকর হাড়, দাঁত, নখের জন্য জরুরি। এ ছাড়া দুধের মধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় পুষ্টি, যেমন : প্রোটিন, জিংক, ভিটামিন এ, বি২ ও বি১২। রয়েছে আয়োডিন, নায়াসিন ও ভিটামিন বি৬।

প্রতিদিন দুই গ্লাস দুধ বাড়ন্ত বয়সের শিশুদের জন্য উপকারী। যদি শিশু শুধু দুধ খেতে পছন্দ না করে, এর মধ্যে বাদাম দিতে পারেন। এ ছাড়া দুধের তৈরি পুডিং বা কাস্টার্ড তৈরি করেও শিশুকে খাওয়ানো যেতে পারে।

২. ডিম
বাড়ন্ত বয়সের শিশুদের জন্য ডিম খুবই উপকারী একটি খাবার। এতে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ প্রোটিন। আর প্রোটিন বাড়ন্ত বয়সের শিশুদের জন্য জরুরি। ডিমের মধ্যে রয়েছে বি ভিটামিন। এটি মস্তিষ্কের গঠন এবং কার্যক্রমের জন্য দরকার। পাশাপাশি ডিমের মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন ডি, ফোলেট, জিংক, আয়রন ও সেলেনিয়াম। সপ্তাহে কয়েক দিন সকালের নাশতায় শিশুকে ডিম খাওয়াতে পারেন। এটি শিশুকে সারা দিনের কাজ করার জন্য শক্তি জোগাবে।

৩. ব্রকলি
এই সবজি ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। এটি দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এবং কোষের ক্ষতি প্রতিরোধে কাজ করে। এই স্বাস্থ্যকর সবজিটির মধ্যে রয়েছে আঁশ, যা বাড়ন্ত শিশুর জন্য জরুরি। রয়েছে আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, জিংক, পটাশিয়াম, ফলিক এসিড। এটি বি ভিটামিনেরও ভালো উৎস; এতে স্নায়ু পদ্ধতি ভালো থাকে।

শিশুকে প্রতিদিন ব্রকলি খেতে দিন। রান্না করে, সালাদের সঙ্গে বা জুস করেও খেতে দিতে পারেন। আর যদি এগুলো খেতে পছন্দ না করে, স্যুপও খাওয়াতে পারেন।

৪. দ‌ই
দই শিশুর জন্য বেশ উপকারী। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং হজমে সাহায্য করে। এর মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন বি, জিংক ও ফসফরাস। প্রতিদিন দই খেলে হাড় ভালো থাকে। এটি শক্তিও জোগান দেয়। যদি দই খেতে শিশু পছন্দ না করে, এর মধ্যে ফল বা চকলেট চিপস দিতে পারেন।

৫. মিষ্টিআলু
বাড়ন্ত বয়সের শিশুর জন্য মিষ্টিআলু খাওয়া প্রয়োজন। এর মধ্যে অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে। এতে আছে বেটা ক্যারোটিন ও ক্যারোটিনয়েড। এগুলো চোখ ভালো রাখার জন্য দরকার। এ ছাড়া এটি ভিটামিন এ, সি ও ই, পটাশিয়াম, ফোলেট, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও আঁশের ভালো উৎস। অনেক শিশু মিষ্টিআলু পছন্দ করে এর স্বাদের জন্য। একে সেদ্ধ করে বা রান্না করে খাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া মিষ্টিআলুর চিপস বানিয়েও শিশুকে খাওয়াতে পারেন।

৬. মাছ
বাড়ন্ত শিশুর জন্য প্রোটিন জরুরি। মাছ প্রোটিনের ভরপুর একটি খাবার। পাশাপাশি এর বড় সুবিধা হলো এটি লো ফ্যাট। এর মধ্যে ভিটামিন বি এবং প্রয়োজনীয় মিনারেল রয়েছে। পাশাপাশি মাছের মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। এটি মস্তিষ্কের বৃদ্ধি ভালো করে এবং বিষণ্ণতা কাটাতে কাজ করে। স্যামন, টুনা শিশুদের জন্য বেশ ভালো মাছ। এ ছাড়া ছোট ছোট মাছ, যেমন–মলা, ঢেলা ইত্যাদি শিশুর জন্য ভালো।

ntv

পুষ্টিকর খাবারের প্রতি শিশুর আগ্রহ বাড়াতে যা করবেন

খাওয়ার প্রতি অনীহা প্রায় সব শিশুদের মধ্যেই দেখা যায়। এমন সব খাবারের প্রতি তারা আগ্রহী যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এসব হয়তো তারা শেখে আপনার কাছ থেকেই। কারণ শিশুরা অনুকরণ প্রিয়। তাই জেনে নিন কিছু পরামর্শ যা আপনার শিশুকে স্বাভাবিক এবং পুষ্টিকর খাবারের দিকে আগ্রহী করে তুলবে।

সবজি কেনার সময় তাকে সাথে নিনঃ

আপনার শিশুকে সাথে নিয়ে বাজারে যান। তাকে জিজ্ঞেস করুন কোন সবজিটি দেখতে সুন্দর বা কোনটি তার দেখতে ভাল লেগেছে, সেটাই কিনুন। এবং রান্নার পর জানান যে এটিই সেই সবজি যা সে পছন্দ করেছিলো।

খাবার রান্নার সময় পাশে রাখুন শিশুকেঃ

শিশুকে খাওয়াতে চান এমন কোন খাবার রান্নার সময় তাকে পাশে রাখুন। হতে পারে তা সপ্তাহে একদিন। কারণ রান্নার প্রক্রিয়া তাকে তা খাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলবে। তার হাতে কিছুটা সবজি বা মশলা তুলে দিয়ে বলুন তা রান্নার পাত্রে রাখতে।

পরিবারের সবাই একসাথে খাবার খানঃ

শিশুরা অনুকরণ প্রিয়। সে তাই ই করে যা তার আশে পাশের সবাই করছে। পরিবারের সবাই মিলে খেতে বসুন এবং স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী খাবার খান। এতে আপনার শিশু নিজের অজান্তেই পুষ্টিকর খাবারে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে।

খাবার নিয়ে তার সাথে আলোচনা করুনঃ

খাবারের পুষ্টিগুণ নিয়ে আপনার শিশুর সাথে আলোচনা করুন। কোন খাবারটি ভাল আর কোন খাবারটি খারাপ তা বলার পরিবর্তে তাকে শেখান কোন খাবারে তার দেহ কেমন উপকার পেতে পারে। কিছু খাবার তাকে লম্বা হতে সাহায্য করবে, কিছু তাকে অন্যদের চেয়ে শক্তিশালী করে তুলবে, কিছু খাবার তাকে দ্রুত দৌড়াতে সাহায্য করবে এভাবে জানালে শিশু সেসব খাদ্যের প্রতি আকৃষ্ট হবে।

সবজিখাওয়ার জন্য শিশুকে পুরস্কৃত করবেন নাঃ

অনেকেই তার শিশুকে আশ্বাস দেয় সবজি খেলে তাকে পুরষ্কার হিসেবে চকলেট বা আইসক্রিম পুরষ্কার হিসেবে দেয়া হবে। এতে শিশুর মনে এই ধারনা গেঁথে যায়, চকলেট বা আইসক্রিম শাক সবজির চেয়ে বেশি ভালো। তাই এই ধরণের প্রবণতা এখনই ত্যাগ করুন।

শিশুকে কখনোই খাওয়ার জন্য জোর করবেন না। হতে পারে তার আর খাওয়ার ইচ্ছা নেই বা সে ক্ষুধার্ত নয়। তাকে খেলাধুলার সুযোগ দিন। এতে তার পরিশ্রম হবে এবং ক্ষুধা বৃদ্ধি পাবে।

লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে অনুরোধ করছি। পরামর্শ.কম এর অন্যান্য প্রকাশনার আপডেট পেতে যোগ দিন আমাদের  ফেইসবুক পেজে!

যে কথা গুলো কন্যা শিশুকে বলতে মানা

একটি মেয়ে বড় হয় অনেক স্বপ্ন চোখে নিয়ে। কখনো কখনো তা বাস্তবে রুপ নেয় কখনো তা হারিয়ে যায় নিমিষেই। তবে পরিবারের একটুখানি সহযোগিতা পারে একটি মেয়েকে অনেখানি স্বাবলম্বী করতে, তার মনের জোরকে বৃদ্ধি করতে।

একজন মেয়েকে প্রায়শই নানা সমস্যার সম্মুক্ষিন হতে হয়। তাই পরিবার থেকে তাকে সামনে এগিয়ে যেতে বলা উচিত। সাধরণত এমন কিছু কথা প্রচলিত রয়েছে যা কন্যাশিশুকে প্রাযই বলা হয় কিন্তু এ কথাগুলো ভুলেও কন্যাশিশুকে বলা উচিত নয়।

তুমি খুব ছোট

কিছু কিছু কাজ মেয়ে সন্তান ছেলে সন্তানদের তুলনায় ভালো করতে পারে। তাছাড়া তাকে অনেক কাজে উৎসাহী করা হয় না সে ছোট বলে। মানুষ চেষ্টা করে বার বার ব্যর্থ হয়ে সফলতার মুখ দেখে। তাই তাকে ছোট থেকে উৎসাহ দেয়া উচিত। তাকে ছোট বলে তার নিজের কাছে অবহেলিত করবেন না।

কম আশা করা

মানুষ ছোট হলেও তার স্বপ্ন হওয়া উচিত অনেক বড়। কারণ আপনি বড় স্বপ্ন দেখলেই কেবল বড় হতে পারবেন। তাই পরিবারের কন্যা শিশুটিকে ছোট আশা করতে মানা করুন।

তাকে সাহায্য করুন বড় কিছুর স্বপ্ন দেখতে। তাকে উৎসাহিত করুন।

এই কাজটি ছেলেদের

কোনো কাজ ছেলে বা মেয়ের নয়। সবাই সব কাজ করতে পারে। কাজ করতে চাই মেধা। তাই সে যদি ছোট থেকে কোনো কাজ করতে চায় তবে তাকে বাঁধা দেবেন না। তাকে বলবেন না যে এই কাজটি তোমার নয়। নয়তো সে স্বপ্ন দেখার আগে অন্য কিছু নিয়ে ভাবতে শুরু করবে।

ব্যর্থ সময় নষ্ট

আমরা প্রায়ই বলি কেনো ব্যর্থ সময় নষ্ট করছো এই কাজ করে। এতে কী লাভ? সব কাজেই যে একজন মানুষ শুধু লাভবান হবে তা না। যে কোনো কাজ থেকে শেখার অনেক কিছু আছে। তাই তাকে বার বার চেষ্টা করতে দিন। সে কাজ করুক তাহলেই তো শিখতে পারবে।

এই কাজের যোগ্য না

কোন কাজে কে কখন পারদর্শী হয়ে উঠে তা কেউ বলতে পারে না। তাই যদি আপনার কন্যা সন্তানটি কোনো কাজে বিশেষভাবে পারদর্শী হয় তবে তাকে অনুপ্রাণিত করুন। কাজ ছোট বলে তাকে আগেই থামিয়ে দেবেন না।